ঢাকা ১০:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

নওগাঁ মহাদেবপুরে ২নং হাতুড় ইউনিয়নে ব্রিজ না থাকাই কৃষকের ভোগান্তি

মহাদেবপুর প্রতিনিধি,এস এ উজ্জ্বল: নওগাঁ মহাদেবপুর উপজেলাধীন ২ নং হাতুড় ইউনিয়নের মহিষবাথান বাজার সংলগ্ন, খাদ্যগডাউন এর সামান্য

উত্তর পাশে বামনদহ গ্রামের মাঝপথ দিয়ে মাটির একটি রাস্তা সাবইল প্রাইমারি স্কুলে গিয়ে ঠেকে।

এই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পথে একটি ব্রিজ আছে যা মানুষের চলাচলের অনুপযোগী বা ঝুঁকিপূর্ণ।

এ রাস্তা দিয়ে কৃষকেরা জমির ফসল ভ্যানে করে বা গাড়ি দিয়ে হাটে নিয়ে যেতে পারেনা, কারন রাস্তাটি পাকা না এবং ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ।

এই অঞ্চলে অধিক অংশ জনগণ কৃষি কাজে লিপ্ত, কৃষকেরা যে সমস্ত ফসলের উপর নির্ভর করে কলাবাগান,ধান,ভুট্টা, আলু, পটল, বিভিন্ন রকমের।

আর এই সমস্ত ফসল নিয়ে যেতে গেলে ভ্যান অথবা গাড়ির প্রয়োজন হয়, কিন্তু রাস্তাটি ভালো না হওয়ার কারণে গাড়ি চালক বা ভ্যান চালক যেতে চাই না।

এ-ই রাস্তাটি শুধু কৃষকই না ছাত্র-ছাত্রী ও চলাচল করে, কিন্তু পাকা না হওয়ার কারণে বর্ষার সময় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

শুধু কি তাই এলাকার চারটি গ্রামের মানুষ এই রাস্তা দিয়েই হাটে যায়, সাবইন, পালপাড়া, মালিপাড়া,ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ।এই এলাকার স্থানীয় জনগণ বছরের পর বছর ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।

মহিষ বাথান একটি প্রাচীন হাট রয়েছে হাটি বসে শুক্রবার ও সোমবার, রাস্তাটি পাকা না ও ব্রিজটি ঝুকপূর্ণ হওয়ার কারণে তারা দুর দিয়ে ঘুরে আসে।

এ-ই এলাকার সচেতন জনগণ, মনে করে রাস্তা ও ব্রিজটি পাকা হলে তাদের জন্য খুব সুবিধা হয়।ওই এলাকার ছাত্র ছাত্রীরা, সহজেই স্কুলে যেতে পারতো।

জনপ্রিয় সংবাদ

​আত্রাইয়ে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন ও ১৪ লাখ টাকার ঋণ বিতরণ

নওগাঁ মহাদেবপুরে ২নং হাতুড় ইউনিয়নে ব্রিজ না থাকাই কৃষকের ভোগান্তি

প্রকাশের সময় : ১২:৩১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

মহাদেবপুর প্রতিনিধি,এস এ উজ্জ্বল: নওগাঁ মহাদেবপুর উপজেলাধীন ২ নং হাতুড় ইউনিয়নের মহিষবাথান বাজার সংলগ্ন, খাদ্যগডাউন এর সামান্য

উত্তর পাশে বামনদহ গ্রামের মাঝপথ দিয়ে মাটির একটি রাস্তা সাবইল প্রাইমারি স্কুলে গিয়ে ঠেকে।

এই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পথে একটি ব্রিজ আছে যা মানুষের চলাচলের অনুপযোগী বা ঝুঁকিপূর্ণ।

এ রাস্তা দিয়ে কৃষকেরা জমির ফসল ভ্যানে করে বা গাড়ি দিয়ে হাটে নিয়ে যেতে পারেনা, কারন রাস্তাটি পাকা না এবং ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ।

এই অঞ্চলে অধিক অংশ জনগণ কৃষি কাজে লিপ্ত, কৃষকেরা যে সমস্ত ফসলের উপর নির্ভর করে কলাবাগান,ধান,ভুট্টা, আলু, পটল, বিভিন্ন রকমের।

আর এই সমস্ত ফসল নিয়ে যেতে গেলে ভ্যান অথবা গাড়ির প্রয়োজন হয়, কিন্তু রাস্তাটি ভালো না হওয়ার কারণে গাড়ি চালক বা ভ্যান চালক যেতে চাই না।

এ-ই রাস্তাটি শুধু কৃষকই না ছাত্র-ছাত্রী ও চলাচল করে, কিন্তু পাকা না হওয়ার কারণে বর্ষার সময় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

শুধু কি তাই এলাকার চারটি গ্রামের মানুষ এই রাস্তা দিয়েই হাটে যায়, সাবইন, পালপাড়া, মালিপাড়া,ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ।এই এলাকার স্থানীয় জনগণ বছরের পর বছর ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।

মহিষ বাথান একটি প্রাচীন হাট রয়েছে হাটি বসে শুক্রবার ও সোমবার, রাস্তাটি পাকা না ও ব্রিজটি ঝুকপূর্ণ হওয়ার কারণে তারা দুর দিয়ে ঘুরে আসে।

এ-ই এলাকার সচেতন জনগণ, মনে করে রাস্তা ও ব্রিজটি পাকা হলে তাদের জন্য খুব সুবিধা হয়।ওই এলাকার ছাত্র ছাত্রীরা, সহজেই স্কুলে যেতে পারতো।