ঢাকা ১১:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

সন্দ্বীপ চ্যানেলে ইয়াবা ও সার চোরাচালান সিন্ডিকেট: নেপথ্যে ‘কোপা সামসু’

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:  সন্দ্বীপ চ্যানেলকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারে ইউরিয়া সার পাচার এবং দেশে ইয়াবা নিয়ে আসার একটি বড় সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই চোরাচালান চক্রের মূল হোতা মাঝির ঘাট এলাকার ‘দ্বীপ ট্রেডিং’-এর স্বত্বাধিকারী সামসুল আলম, যিনি এলাকায় ‘কোপা সামসু’ নামে পরিচিত।

তার এই অবৈধ চক্রের কারণে একদিকে যেমন স্থানীয় কৃষকেরা সারের সংকটে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন, অন্যদিকে মাদক চক্রের বিস্তারে তরুণ সমাজ ধ্বংসের মুখে পড়ছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সন্দ্বীপ চ্যানেলের ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রটি সক্রিয় রয়েছে। মাঝির ঘাটকে মূল পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করে দেশের ইউরিয়া সার চোরাইপথে মিয়ানমারে পাচার করা হচ্ছে। বিনিময়ে সেখান থেকে আসছে নিষিদ্ধ মাদক ইয়াবার বড় বড় চালান। স্থানীয় সচেতন নাগরিকেরা জানান, ‘দ্বীপ ট্রেডিং’-এর ব্যবসার আড়ালে মূলত এই চোরাচালানের মূল ডিলগুলো সম্পন্ন করা হয়।

এই সিন্ডিকেটের তৎপরতা বন্ধ করতে এবং মূল হোতা সামসুল আলমসহ জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের কঠোর ও জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী। উপকূলীয় নিরাপত্তা জোরদার করতে কোস্ট গার্ড ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযান বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন স্থানীয়রা।

জনপ্রিয় সংবাদ

​আত্রাইয়ে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন ও ১৪ লাখ টাকার ঋণ বিতরণ

সন্দ্বীপ চ্যানেলে ইয়াবা ও সার চোরাচালান সিন্ডিকেট: নেপথ্যে ‘কোপা সামসু’

প্রকাশের সময় : ০৬:১৪:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:  সন্দ্বীপ চ্যানেলকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারে ইউরিয়া সার পাচার এবং দেশে ইয়াবা নিয়ে আসার একটি বড় সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই চোরাচালান চক্রের মূল হোতা মাঝির ঘাট এলাকার ‘দ্বীপ ট্রেডিং’-এর স্বত্বাধিকারী সামসুল আলম, যিনি এলাকায় ‘কোপা সামসু’ নামে পরিচিত।

তার এই অবৈধ চক্রের কারণে একদিকে যেমন স্থানীয় কৃষকেরা সারের সংকটে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন, অন্যদিকে মাদক চক্রের বিস্তারে তরুণ সমাজ ধ্বংসের মুখে পড়ছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সন্দ্বীপ চ্যানেলের ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রটি সক্রিয় রয়েছে। মাঝির ঘাটকে মূল পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করে দেশের ইউরিয়া সার চোরাইপথে মিয়ানমারে পাচার করা হচ্ছে। বিনিময়ে সেখান থেকে আসছে নিষিদ্ধ মাদক ইয়াবার বড় বড় চালান। স্থানীয় সচেতন নাগরিকেরা জানান, ‘দ্বীপ ট্রেডিং’-এর ব্যবসার আড়ালে মূলত এই চোরাচালানের মূল ডিলগুলো সম্পন্ন করা হয়।

এই সিন্ডিকেটের তৎপরতা বন্ধ করতে এবং মূল হোতা সামসুল আলমসহ জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের কঠোর ও জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী। উপকূলীয় নিরাপত্তা জোরদার করতে কোস্ট গার্ড ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযান বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন স্থানীয়রা।