ঢাকা ১১:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

আল আকসায় ঢুকে পড়ল দেড় হাজার ইহুদি

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইহুদিদের ধর্মীয় উৎসব সুক্কোতের দ্বিতীয় দিনে প্রায় দেড় হাজার ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী প্রবেশ করেছেন। তারা দলে দলে মাগারিবা ফটক দিয়ে প্রাঙ্গণে ঢোকার পর সেখানে বিভিন্ন ধর্মীয় আচার ও প্রার্থনা করেন।

পরে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ফটকটি বন্ধ করে দেয়।জেরুজালেম গভর্নরেটের তথ্য অনুযায়ী, কঠোর পুলিশ পাহারায় বসতি স্থাপনকারীরা মাগারিবা ফটক দিয়ে আল-আকসায় প্রবেশ করেন।

প্রাঙ্গণে বিশেষ করে আল-কাত্তানিন ফটকের কাছে তালমুদীয় রীতি ও প্রার্থনা করা হয়। একই সময় তথাকথিত ‘উদ্ভিদ নৈবেদ্য’ও আল-আকসার প্রাঙ্গণে নেওয়া হয়।
এদিকে, আল-আকসার দিকে যাওয়া আল-কাত্তানিন বাজারের কয়েকটি দোকান বন্ধ করতে মালিকদের বাধ্য করা হয়। ওই বাজারের ভেতরেও বসতি স্থাপনকারীরা ধর্মীয় আচার পালন করেন।

এ সময় পুরোনো জেরুজালেম শহরে সাধারণ মানুষের চলাচলে আরও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।আল-আকসার বাইরের একটি ফটক আল-হুত্তা ফটকের কাছেও বসতি স্থাপনকারীরা প্রার্থনা করেন। সুক্কোতের দ্বিতীয় দিনজুড়ে প্রাঙ্গণে প্রবেশ ও ধর্মীয় আচার পালনের এই ঘটনা চলতে থাকে।

এদিকে, আল-আকসা মসজিদ ও পুরোনো শহরের আশপাশে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা ও সামরিক ব্যবস্থা জোরদার করে। মুসল্লিদের প্রবেশ এবং চলাচলেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। জেরুজালেম গভর্নরেটের ভাষ্য, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে ওই স্থানের বিদ্যমান ঐতিহাসিক ও আইনগত ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে নিয়ন্ত্রণ আরও পাকাপোক্ত করার এবং সময় ও স্থানভিত্তিক বিভাজন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হচ্ছে।

আল-আকসা মসজিদ মুসলমানদের তৃতীয় পবিত্রতম ধর্মীয় স্থান। ইহুদিরা এই এলাকাকে ‘টেম্পল মাউন্ট’ বলে অভিহিত করে এবং এখানে তাদের প্রাচীন দুটি ইহুদি মন্দির ছিল বলে দাবি করে।

তথ্যসূত্র: দ্য পেনিনসুলা কাতার, কাতার নিউজ এজেন্সি

জনপ্রিয় সংবাদ

​আত্রাইয়ে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন ও ১৪ লাখ টাকার ঋণ বিতরণ

আল আকসায় ঢুকে পড়ল দেড় হাজার ইহুদি

প্রকাশের সময় : ১০:২৫:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইহুদিদের ধর্মীয় উৎসব সুক্কোতের দ্বিতীয় দিনে প্রায় দেড় হাজার ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী প্রবেশ করেছেন। তারা দলে দলে মাগারিবা ফটক দিয়ে প্রাঙ্গণে ঢোকার পর সেখানে বিভিন্ন ধর্মীয় আচার ও প্রার্থনা করেন।

পরে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ফটকটি বন্ধ করে দেয়।জেরুজালেম গভর্নরেটের তথ্য অনুযায়ী, কঠোর পুলিশ পাহারায় বসতি স্থাপনকারীরা মাগারিবা ফটক দিয়ে আল-আকসায় প্রবেশ করেন।

প্রাঙ্গণে বিশেষ করে আল-কাত্তানিন ফটকের কাছে তালমুদীয় রীতি ও প্রার্থনা করা হয়। একই সময় তথাকথিত ‘উদ্ভিদ নৈবেদ্য’ও আল-আকসার প্রাঙ্গণে নেওয়া হয়।
এদিকে, আল-আকসার দিকে যাওয়া আল-কাত্তানিন বাজারের কয়েকটি দোকান বন্ধ করতে মালিকদের বাধ্য করা হয়। ওই বাজারের ভেতরেও বসতি স্থাপনকারীরা ধর্মীয় আচার পালন করেন।

এ সময় পুরোনো জেরুজালেম শহরে সাধারণ মানুষের চলাচলে আরও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।আল-আকসার বাইরের একটি ফটক আল-হুত্তা ফটকের কাছেও বসতি স্থাপনকারীরা প্রার্থনা করেন। সুক্কোতের দ্বিতীয় দিনজুড়ে প্রাঙ্গণে প্রবেশ ও ধর্মীয় আচার পালনের এই ঘটনা চলতে থাকে।

এদিকে, আল-আকসা মসজিদ ও পুরোনো শহরের আশপাশে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা ও সামরিক ব্যবস্থা জোরদার করে। মুসল্লিদের প্রবেশ এবং চলাচলেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। জেরুজালেম গভর্নরেটের ভাষ্য, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে ওই স্থানের বিদ্যমান ঐতিহাসিক ও আইনগত ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে নিয়ন্ত্রণ আরও পাকাপোক্ত করার এবং সময় ও স্থানভিত্তিক বিভাজন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হচ্ছে।

আল-আকসা মসজিদ মুসলমানদের তৃতীয় পবিত্রতম ধর্মীয় স্থান। ইহুদিরা এই এলাকাকে ‘টেম্পল মাউন্ট’ বলে অভিহিত করে এবং এখানে তাদের প্রাচীন দুটি ইহুদি মন্দির ছিল বলে দাবি করে।

তথ্যসূত্র: দ্য পেনিনসুলা কাতার, কাতার নিউজ এজেন্সি