ঢাকা ১১:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

সাংবাদিককে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে লক্ষ্মীপুরে মামলা, সাকিব গ্রেপ্তার

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে দীপ্ত টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি ও শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় সাকিব হোসেনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই ঘটনায় আটক সাকিবকে হত্যাচেষ্টা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের পৃথক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার সকালে সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর শহরের একটি স্কুল থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। সদর উপজেলার আটিয়াতলী এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন তার পথরোধ করে। এ সময় তাকে মারধর করা হয় এবং হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। একপর্যায়ে তাকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন সাকিবকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পরে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়।

পুলিশ জানিয়েছে, সাকিবের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন থানায় হত্যা, মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থী হত্যা মামলাতেও তার নাম রয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে। সম্প্রতি এসব মামলায় কারাভোগের পর জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি আবারও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সাকিব হোসেন আটিয়াতলী এলাকার বাসিন্দা এবং তার নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ দল এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও করেন তারা। এসব কর্মকাণ্ড নিয়ে সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম সংবাদ প্রকাশ করায় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটতে পারে বলে স্থানীয়দের ধারণা।

এদিকে সাকিব ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার এবং বিচারের দাবিতে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা এর আগে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন বলে জানা গেছে।

সদর থানার ওসি ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, সাংবাদিককে হত্যাচেষ্টার মামলার পাশাপাশি সাকিবকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলাতেও গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ ও হামলার সঙ্গে জড়িত অন্যদের বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জনপ্রিয় সংবাদ

​আত্রাইয়ে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন ও ১৪ লাখ টাকার ঋণ বিতরণ

সাংবাদিককে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে লক্ষ্মীপুরে মামলা, সাকিব গ্রেপ্তার

প্রকাশের সময় : ০৭:৫৩:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে দীপ্ত টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি ও শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলমকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় সাকিব হোসেনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই ঘটনায় আটক সাকিবকে হত্যাচেষ্টা ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের পৃথক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার সকালে সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে মামলাটি করেন। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর শহরের একটি স্কুল থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। সদর উপজেলার আটিয়াতলী এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন তার পথরোধ করে। এ সময় তাকে মারধর করা হয় এবং হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। একপর্যায়ে তাকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন সাকিবকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পরে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়।

পুলিশ জানিয়েছে, সাকিবের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন থানায় হত্যা, মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থী হত্যা মামলাতেও তার নাম রয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে। সম্প্রতি এসব মামলায় কারাভোগের পর জামিনে মুক্ত হয়ে তিনি আবারও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সাকিব হোসেন আটিয়াতলী এলাকার বাসিন্দা এবং তার নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ দল এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও করেন তারা। এসব কর্মকাণ্ড নিয়ে সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম সংবাদ প্রকাশ করায় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটতে পারে বলে স্থানীয়দের ধারণা।

এদিকে সাকিব ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার এবং বিচারের দাবিতে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা এর আগে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন বলে জানা গেছে।

সদর থানার ওসি ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, সাংবাদিককে হত্যাচেষ্টার মামলার পাশাপাশি সাকিবকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলাতেও গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ঘটনার প্রকৃত কারণ ও হামলার সঙ্গে জড়িত অন্যদের বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।