ঢাকা ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

নওগাঁর আত্রাইয়ে মাথার ওপরের ছাদটুকি ও হারাচ্ছেন অসহায় পরিবার

বিশেষ প্রতিনিধি, আত্রাই (নওগাঁ): ভিটেমাটি বলতে কেবল মাত্র এক ডেসিমেল জমি। তার ওপর টিন আর বাঁশের তৈরি একটি ছোট্ট ঘর, যা এখন পুরোপুরি জরাজীর্ণ। সামান্য বাতাস কিংবা বৃষ্টি হলেই নড়েচড়ে ওঠে ঘরের বাঁশের খুঁটি।

পলিথিন আর দড়ি দিয়ে বেঁধেও আর শেষ রক্ষা হচ্ছে না; যেকোনো মুহূর্তে পুরো ঘরটি ধসে পড়ে ঘটাতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। বলছিলাম নওগাঁর আত্রাই উপজেলার খনজোর গ্রামের বাসিন্দা মো. আনোয়ার শেখের (পিতা: মরহুম মোবারক শেখ) অসহায় পরিবারের কথা।

পাঁচ সদস্যের এই পরিবারটির একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন আনোয়ার শেখ নিজেই। কিন্তু বিধাতা যেন সেখানেও বিষাদের ছায়া ফেলেছেন। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি মারাত্মক হৃদরোগ (হার্টের সমস্যা) এবং চোখের জটিলতায় ভুগছেন। অর্থাভাবে ঠিকমতো চিকিৎসাও করাতে পারছেন না। শারীরিক অসুস্থতার কারণে এখন আর কোনো ভারী পরিশ্রম বা কাজকর্ম করতে পারেন না তিনি। পরিবারে আরও চারজন সদস্য থাকলেও এই মুহূর্তে রোজগার করার মতো দ্বিতীয় আর কেউ নেই।

একদিকে শারীরিক অসুস্থতা ও চিকিৎসার খরচ, অন্যদিকে পাঁচ পেটের আহার জোগানোর চিন্তা—সব মিলিয়ে চরম দিশেহারা আনোয়ার শেখ। এর মধ্যে আবার মাথার ওপরের ছাদটুকুও যেন ভেঙে পড়ার উপক্রম। দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা ঘরটি যেকোনো সময় মাথায় ভেঙে পড়তে পারে এই আতঙ্কেই কাটে তাদের দিনরাত। কিন্তু নতুন করে একটি ঘর তৈরি বা মেরামত করার মতো ন্যূনতম আর্থিক সামর্থ্যও তার নেই।

আবেগাপ্লুত কণ্ঠে আনোয়ার শেখ জানান, “দড়ি দিয়ে বেঁধে কি আর ঘরকে আটকে রাখা যায়? যেকোনো সময় ঘরডা ধসে পড়তে পারে। শরীরটা অসুস্থ, কাজকর্ম করতে পারি না, পাঁচটা মানুষের পেট চালাবো নাকি ঘর ঠিক করবো? সরকারি কোনো সহায়তা বা কোনো বিত্তবান মানুষ যদি একটু সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতেন, তবে অন্তত নিরাপদে থাকার একটি জায়গা পেতো।তার বিকাশ নাম্বার ০১৭৮২৯২৬৯২৯।

জনপ্রিয় সংবাদ

​আত্রাইয়ে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন ও ১৪ লাখ টাকার ঋণ বিতরণ

নওগাঁর আত্রাইয়ে মাথার ওপরের ছাদটুকি ও হারাচ্ছেন অসহায় পরিবার

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৫:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি, আত্রাই (নওগাঁ): ভিটেমাটি বলতে কেবল মাত্র এক ডেসিমেল জমি। তার ওপর টিন আর বাঁশের তৈরি একটি ছোট্ট ঘর, যা এখন পুরোপুরি জরাজীর্ণ। সামান্য বাতাস কিংবা বৃষ্টি হলেই নড়েচড়ে ওঠে ঘরের বাঁশের খুঁটি।

পলিথিন আর দড়ি দিয়ে বেঁধেও আর শেষ রক্ষা হচ্ছে না; যেকোনো মুহূর্তে পুরো ঘরটি ধসে পড়ে ঘটাতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। বলছিলাম নওগাঁর আত্রাই উপজেলার খনজোর গ্রামের বাসিন্দা মো. আনোয়ার শেখের (পিতা: মরহুম মোবারক শেখ) অসহায় পরিবারের কথা।

পাঁচ সদস্যের এই পরিবারটির একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন আনোয়ার শেখ নিজেই। কিন্তু বিধাতা যেন সেখানেও বিষাদের ছায়া ফেলেছেন। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি মারাত্মক হৃদরোগ (হার্টের সমস্যা) এবং চোখের জটিলতায় ভুগছেন। অর্থাভাবে ঠিকমতো চিকিৎসাও করাতে পারছেন না। শারীরিক অসুস্থতার কারণে এখন আর কোনো ভারী পরিশ্রম বা কাজকর্ম করতে পারেন না তিনি। পরিবারে আরও চারজন সদস্য থাকলেও এই মুহূর্তে রোজগার করার মতো দ্বিতীয় আর কেউ নেই।

একদিকে শারীরিক অসুস্থতা ও চিকিৎসার খরচ, অন্যদিকে পাঁচ পেটের আহার জোগানোর চিন্তা—সব মিলিয়ে চরম দিশেহারা আনোয়ার শেখ। এর মধ্যে আবার মাথার ওপরের ছাদটুকুও যেন ভেঙে পড়ার উপক্রম। দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা ঘরটি যেকোনো সময় মাথায় ভেঙে পড়তে পারে এই আতঙ্কেই কাটে তাদের দিনরাত। কিন্তু নতুন করে একটি ঘর তৈরি বা মেরামত করার মতো ন্যূনতম আর্থিক সামর্থ্যও তার নেই।

আবেগাপ্লুত কণ্ঠে আনোয়ার শেখ জানান, “দড়ি দিয়ে বেঁধে কি আর ঘরকে আটকে রাখা যায়? যেকোনো সময় ঘরডা ধসে পড়তে পারে। শরীরটা অসুস্থ, কাজকর্ম করতে পারি না, পাঁচটা মানুষের পেট চালাবো নাকি ঘর ঠিক করবো? সরকারি কোনো সহায়তা বা কোনো বিত্তবান মানুষ যদি একটু সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতেন, তবে অন্তত নিরাপদে থাকার একটি জায়গা পেতো।তার বিকাশ নাম্বার ০১৭৮২৯২৬৯২৯।